বিয়ের আগে স’ঙ্গীর সাথে খো’লাখু;লি যেসব আলোচ;না করবেন!

21

যদিও এবার ক’রোনা আবহে বি’য়ের দিনক্ষণ তেমন নেই, তাও বি’য়ের বাদ্যি নেহাত কম বাজছে না। সেসব দেখেই হয়তো আপনিও ভাবছেন নিজে’র বি’য়ের কথা। প্রেমের বয়স দুবছর? বাকিদের দেখে বি’য়ের কথা ভাবছেন?

তার আগে ভেবে নিন কিছু পয়েন্ট। বি’য়ের পর সব স’মস্যার সমাধান হয় না: বি’য়ে ক’র’লে সব স’মস্যা সমাধান হয়ে যাবে, এমনটা ভাববেন না। খুব ভু’ল ধারণা। স’মস্যার সমাধান না হলে তা বাড়ে। কমে না। আর বি’য়ে কখনই সমাধান নয়। প্রেম করার সময় যে যে ঝামেলা হত, বি’য়ের পর সেই ঝামেলাই মস্ত বড় আ’কার নেয়।

বি’য়ে মানেই দুটো মনের মি’লন। একস’ঙ্গে পথ চলা। হোস্টেল নয় যে, সুপারের কাছে অ’ভিযোগ জা’নালেই রুমমেট বদলে দেবে। বরং এখানে অনেক বেশি মা’নসিক অশান্তি রয়েছে। তাই সবদিক বুঝে শুনে এবং অবশ্যই নিজেদেরটা গুছিয়ে তবেই বি’য়ে করুন। সবাই করছে বলেই যে আমাকে ক’রতে হবে এমন কিন্তু নয়।

উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে বি’য়ে করবেন না: বি’য়ে ক’র’লেই প্র’চু’র উপহার পাবেন, ম্যাজিকের মতো গাড়ি-ফ্ল্যাট সব রেডি হয়ে যাবে এসব স্বপ্ন দেখবেন না। বি’য়ে মানেই উইকএন্ডে আগের মতো ডিনার আর নতুন লিপস্টিক নাও হতে পারে। বাড়ির লোকেদেরও সময় দিতে হবে। বি’য়ে হলেই ভালোবাসা বেড়ে যাবে এমনও কিন্তু হয় না।

আর সবাই রানী কিংবা রাজা বানিয়ে মাথায় তুলে রাখবে এমনটাও হবে না। নিজে’র কাজ নিজেকেই ক’রতে হবে এই মা’নসিকতা নিয়ে তবেই বি’য়ে করুন। সবসময় ভালোবাসা পাবেন এমন নয়: জীবনটা সিনেমা নয়। বি’য়েটা আরও নয়। কাজেই রুপোলি পর্দার নায়ক-নায়িকাদের মতো প্রেম-বিরহ আপনার স’ম্পর্কে নাও থাকতে পারে।

বউ জামাকাপড় প্রতিদিন ভালোবেসে গুছিয়ে দেবে, কিংবা স্বা’মী রোজ সকালে জুস বানিয়ে মুখের সামনে ধ’রবে এমন স্বপ্ন দেখবেন না। কাজেই প্রেম করার সময় বেশি ভালোবাসতে এই অ’ভিযোগ করবেন না। প্রেম করার সময় আপনাদের দেখা হয় সপ্তাহে একবার কিংবা দিনে দুবার। এখানে ২৪ ঘণ্টাই একজন মানুষের স’ঙ্গে থাকতে হবে। সুতরাং অভিজ্ঞতায় ফারাক থাকবেই।

সঙ্গীর পরিবারকে জানুন: একে অপরের পরিবারকে ভালো ক’রে চিনুন। বি’য়ে মানেই দুই পরিবারের ব’ন্ধন। পরিবারের সকলের স’ঙ্গে কতটা মানিয়ে নিতে পারছেন দুজনেই তা আগে দেখা প্রয়োজন। এছাড়াও বি’য়েতে দুই পরিবারের সম্মতি জ’রুরি। ছেলে এবং মেয়ে উভ’য়কেই একে অপরের পরিবারের স’ঙ্গে মিশতে হবে। তাই পাত্র বা পাত্রীর স’ঙ্গে পরিবারও আপনাদের কতটা পছন্দ তা জে’নে নিন।

একে অপরের জমা-খরচ জানুন: বি’য়ের আগে এই বিষয়টা স্পষ্ট ক’রে নেবেন। এখানে কোন লুকোছাপা নয়। দুজনই দুজনের ব্যাংক ব্যালেন্স স’ম্পর্কে ভালো ক’রে জে’নে নিন। কোনও পলিসি, মেডিক্লেম এই বিষয়েও বিষদে জে’নে রাখু’ন। বি’য়েতে নিজে’রা কে কত খরচা করবেন, হানিমুনের খরচ ভাগাভাগি হবে কিনা,

বি’য়ের পরের অর্থনৈতিক প্ল্যান সবই সেরে রাখু’ন। দুজনেই যদি একটু মোটা অঙ্কের টাকা অ্যাকাউন্টে রেখে বি’য়ে ক’রতে পারেন তাহলে অনেক রকম স’মস্যা থেকেই পরবর্তীতে মু’ক্তি পাওয়া যাবে। আর অর্থনৈতিক বিষয়ে একে অপরের নির্ভরশীল না হওয়াই ভালো।