মসজি;দে বি’স্ফো’রণ: স্বামী মা’রা যেতেই অসু’রের ভূমি’কায় ভাসু’র!

346

ফটো সাংবাদিক নাদিম আহমেদ। খুব সাদাসিধে জীবনযাপন ক’রতেন। খুব একটা অভাবী না হলেও ক’ষ্টেই সংসার চলতো তার। জীবদ্দশায় বড় ভাই হেলাল কখনই নাদিম ও তার স্ত্রী পুত্রের কোনো খোঁ’জ খবর নিতে যাননি।

নারা’য় ণগঞ্জে’র তল্লায় মসজিদ ট্রাজেডিতে অ’গ্নিদগ্ধ হয়ে মা’রা গেছেন নাদিম হোসেন। আর এ ঘ’টনায় নাদিমের স্ত্রী লিমা আহমেদ ও একমাত্র পুত্র নাফি আহমেদ ভাসছেন শো’কের সাগরে। তারা এখনও শো’ক কা’টিয়ে উঠতে পারেনি। অথচ নাদিমের বড় ভাই হেলাল ক্ষ’তিপূরণের খবর পেয়ে নাদিমের সদ্য বিধবা স্ত্রী ও,

এতিম পুত্রকে ব’ঞ্চিত ক’রতে উঠে প’ড়ে লে’গেছে বলে অ’ভিযো’গ পাওয়া গেছে। ফটোসাংবাদিক নাদিমের বড় ভাই হেলালের লোলুপ দৃষ্টি প’ড়েছে ক্ষ’তিপূরণের টাকার উপর। যদিও এখনও বড় ধ’রনের ক্ষ’তিপূরণ পাওয়া যায়নি। তার আগেই ভাসুর হেলাল অসুর হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন। জা’না যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ফতুল্লার পশ্চিমতল্লা এলাকার,

বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিকট শব্দে বি’স্ফো’রণ ঘ’টনায় দগ্ধ অব’স্থায় ৩৭ জনকে জাতীয় শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লস্টিক সার্জা’রি ইনস্টিটিউটে ভর্তি ক’রা হয়। এদের মধ্যে ২৮ জন মা’রা যান। মা’রা যাওয়া ব্য’ক্তিদের মধ্যে রয়েছেন নাদিম আহমেদ। নাদিমকে হারিয়ে তার পরিবারে চলছে শো’কের মাতম।

সেই সাথে নাদিম পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন মহল। বিভিন্ন পর্যায় থেকে নাদিম আহমেদের স্ত্রী ও সন্তানকে নানাভাবে সহযোগিতা ক’রা হচ্ছে। এরই মধ্যে গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় ডনচেম্বারস্থ কাউন্সিলর নিজ বাড়ীতে নি’হত ফটো সাংবাদিক নাদিম আহম্মেদের স্ত্রী লিমা আহম্মেদ ও তাদের একমাত্র ছেলে নাফি,

আহম্মেদের কাছে নগদ অর্থ, একটি সেলাই মেশিন, এক বস্তা চাল, তেল, ডাল, ৫বছর বাড়ী ভাড়া মওকুফ, ছেলে নাফি’র ৯ম শ্রেণী থেকে ডিগ্রী পর্যন্ত পড়াশোনার খরচ বহন করবেন কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু ও তার স্ত্রী দিপা হাসেম পরিবার। এদিকে বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বি’স্ফো’রণ ও অ’গ্নিকান্ডের ঘ’টনায় নি’হতদের,

পরিবার ও দগ্ধদের প্রত্যেকের পরিবারকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা ক’রে দিতে নির্দে’শ দেয় হা’ইকো’র্ট। ৯ সেপ্টেম্বর হা’ইকো’র্টের বি’চারপতি জে বি এম হাসান ও বি’চারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আগামী সাতদিনের মধ্যে এই টাকা দিতে তিতাস গ্যাস ক’র্তৃপক্ষকে নির্দে’শ দিয়েছে। আর এইসকল ক্ষ’তিপূরণের টাকার উপর নজর প’ড়েছে নাদিম আহমেদের বড় ভাই হেলালের।

হেলাল চাচ্ছে নাদিমের ছেলের দোহাই দিয়ে তার সমস্ত ক্ষ’তিপূরণের টাকা নিজে গ্রহণ ক’রতে। তার অ’ভিযো’গ নাদিমের স্ত্রী টাকা পেয়ে ছেলের খবর না নিয়ে ছেলেকে রেখেই অন্য জায়গায় বিয়ে ক’রতে পারে। আর তাই নাদিম আহমেদের স্ত্রী'র উপড় বড় ভাই হেলাল আস্থা রাখতে পারছে না। কিন্তু নাদিমের স্ত্রী'র পক্ষের লোকজনের বক্তব্য হচ্ছে,

নাদিমের জন্য তার বড় ভাই হেলালের দরদ এতদিন কোথায় ছিল। যখন নাদিম অনেক অভাবের মধ্যে দিন পার করতো তখন তো তার ভাই কিংবা অন্যরা কেউ এগিয়ে আসেননি। তখন তারা কোথায় ছিলেন। নাদিমের মা’রা যাওয়ার সময়ই কেউ খোঁ’জ খবর নেয়নি। যখনই বিভিন্ন জায়গা থেকে সহযোগিতা আসতে শুরু ক’রেছে তখনই তাদের খবর হয়েছে। মূলত তার বড় ভাই হেলাল টাকা ভোগ ক’রার জন্যই এই পাঁয়তারা চালাচ্ছে।