বাসর রাতে মেয়েদের ভ’য়ের ৫টি কারণ…

18

‘বাসর রাতে বিড়াল মা’রা’ একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে। এ প্রবাদ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বাসর রাত প্রতিটি মানুষের জীবনেরই অত্যন্ত গু’রুত্ব পূর্ণ। বাসর রাত নিয়ে পুরুষের মধ্যে থাকে প্রবল উ'ত্তে'জনা। কিন্তু মেয়েদের মধ্যে কাজ করে কৌতূহলের স’ঙ্গে প্রচ’ণ্ড ভ’য়ও।

এ ক্ষেত্রে শুধু ভ’য় বলা ঠিক হবে না, তাদের মনে শ’ঙ্কা-অস্বস্তি সব মিলিয়ে অনেকগুলো অনুভূতি কাজ করে। প্রথম একজন মানুষের স’ঙ্গে নিরবিলি জীবনের শুরু। এতদিন যাকে কেবল দূ’র থেকেই দেখেছেন, তার সাথেই এখন কাটাতে হবে জীবন। কমবেশি প্রতিটি নারীরই যৌ’ন মি’লনের ভ’য়টা থাকেই। বিয়ের স’ঙ্গে জড়িয়ে আছে যৌ’ন স’স্পর্কের বিষয়টা এবং প্রেম করে বিয়ে হোক বা পারিবারিক,

অবধারিতভাবেই বিয়ের রাতে এই বিষয়টি নিয়ে প্রবল ভ’য় কাজ করে নারীদের মাঝে। একই কাম’রায় দুজনে নিরিবিলি জীবন-যাপন করবেন, একস’ঙ্গে কাটাবেন জীবনের বাকি রাতগুলো। বাসর রাতে কী হবে, কেমন হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে সব মেয়েরাই থাকে চিন্তিত। বিশেষ করে পারিবারিক আয়োজনে বিয়ের ক্ষেত্রে এটি প্রবল হয়।

জে’নে নিন বাসর রাতে মেয়েদের ভ’য়ের ৫টি কারণ… ১. বিয়ের প্রথম রাত বলে কথা, প্রত্যেক নারীই এইদিন অপসরার মত সাজেন ভালোবাসার মানুষটির জন্য। কেমন দেখাচ্ছে তাকে, বরের চোখে ভালো লাগছে কি না ইত্যাদি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ভ’য় কাজ করে।

২. নতুন একটি মানুষের স’ঙ্গে শুরু হবে তার নতুন জীবন। বাসর রাত মানে লজ্জা, জড়তা, অস্বস্তি সবকিছু মিলিয়ে একটি নতুন জীবনের যাত্রা। নিজে’র চিরচেনা জীবনের প্রায় সবকিছুই মেয়েদের ফে’লে আসতে হয় বাবার বাড়িতে, নিজে’র প্রায় সমস্ত অভ্যাসই বিয়ের পর বদলে ফেলতে হয়। পরের দিন সকালটি কেমন হবে, কোন কাজটি কিভাবে করবেন এগুলো নিয়ে দু’শ্চিন্তায় ভো’গেন নারীরা।

৩. শুধু স্বামী তো নন, শ্বশুরবাড়িতে প্রায় সবাই নতুন আর অচেনা পরিবেশ। সবার স’ঙ্গে মানিয়ে নেয়া, সবার স’ঙ্গে স’স্পর্ক তৈরি করার পালা শুরু হয়ে যায় বিয়ের প্রথম রাত থেকেই। পরের দিন থেকেই একেবারে ভিন্ন একটি জীবনের যাত্রা শুরু।

৪. জীবনে কখনো পরিবারকে ছে’ড়ে থাকা হয়নি। কীভাবে থাকা হবে সবাইকে ছাড়া? মা-বাবাকে ছে’ড়ে নতুন পরিবেশে কীভাবে মানিয়ে নেবেন? এসব শ’ঙ্কা সব মেয়েরই কমবেশি থাকে।

৫. প্রেমের বিয়ে হোক বা পারিবারিক, কোন নারীই চান না বিয়ের প্রথম রাতেই গর্ভবতী হয়ে যেতে। কিন্তু প্রথম রাতেই বরের স’ঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলাটা অস্বস্তিকর। তাই বলাই বাহুল্য নার্ভাস হয়ে প’ড়েন নারীরা।