আমি মুখ খুল’লে জায়েদ মুখ দেখাতে পারবে না পপি

9

চিত্রনায়িকা পপি বর্তমানে গ্রামের বাড়ি খুলনায় অব’স্থান করছেন। আক্রা’ন্ত হয়েছিলেন করো’না য়। এদিকে চলচ্চিত্রের প্রা’ণকে’ন্দ্র এফডিসি উত্তাল রয়েছে মিশা-জায়েদ বয়কট নিয়ে। নিজে’র শা’রীরিক অবস্থা ও এফডিসির উত্তাল প’রিস্থিতি নিয়ে খুলনা থেকে সমকালের স’ঙ্গে কথা বলেছেন পপি

এখন শ’রীরিক অবস্থা কেমন?–আল্লাহর রহমতে বেশ ভালো। গত সপ্তাহে করো’না টেস্টে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। তবুও বাসা থেকে বের হচ্ছি না। করো’না সেরে গেলেও আত’ঙ্ক কাটছে না।–করো’না থেকে সেরে উঠেছেন। ঢাকায় ফি’রছেন কবে? ঢাকায় শিগগির ফেরা হচ্ছে না। কারণ, ঢাকার অবস্থা এখনও খুব একটা ভালো নয়।

মানুষ ঘর থেকে বের হলেও করো’না য় আক্রা’ন্তের সংখ্যা তো কমছে না। আমা’র আত্মীয়-স্বজন যারা ঢাকায় আছেন, তাদের অনেকের আক্রা’ন্তের খবর পাচ্ছি। এ প’রিস্থিতিতে কীভাবে ঢাকায় ফিরি? এফডিসিতে যা হচ্ছে খবর রাখছেন তো? গ্রামে থাকলেও সব খবরই রাখছি। এফডিসি আমা’র আরেক পরিবার।

পরিবারের খবর তো রাখতেই হবে। সেখানে একটা ক্রাইসিস চলছে। শিগগিরই এ ক্রাইসিস চলে যাবে। আম’রা আবার সবাই একস’ঙ্গে কাজ করব। আমাদের শু’টিংয়ে মুখর হয়ে উঠবে এফডিসি। ক্রাইসিস বলতে আপনি কী বোঝালেন? এফডিসিতে কী হচ্ছে এটা তো গণমাধ্যমের বরাতে দেশের সবাই জানতে পারছেন। এখানে ক্রাইসিস কী নিয়ে এটাও সবার জা’না।

তবে আমি মনে করি, এখানে সবচেয়ে বড় ক্রাইসিস হচ্ছে স’স্পর্কের। আগে কত সুন্দর দিন কাটাচ্ছিলাম আম’রা। মান্না ভাই, ওমর সানী ভাই, রিয়াজ, ফেরদৌস, শাকিব খান, মৌসুমী, শাবনূর, পূর্ণিমা, সবাই নিজ নিজ অব’স্থান থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে লিড দিয়েছেন। তখন আমাদের মধ্যে ভালো কাজে’র প্রতিযোগিতা থাকলেও কারও স’ঙ্গে কোনো রেষারেষি ছিল না।

কেউ কারও পেছনে লাগেনি। কারও আড়ালে কারও বদনাম হতো না। সেই গোছানো স’স্পর্কগুলো ন’ষ্ট করে দিলো জায়েদ। সে শিল্পী সমিতির চেয়ারে বসার পরই শুরু হলো একে অপরে দ্বন্দ্ব। অযোগ্য লোককে চেয়ারে বসালে যা হয়। এর-ওর মধ্যে বি’রুদ্ধে লা’গিয়ে সবাইকে ব্যস্ত বানিয়ে নিজে চেয়ারের জায়গাটা শক্ত করে নিতে চাচ্ছিলো সে। কিন্তু অযোগ্য লোক বেশিদিন থাকতে পারে না। তার পতন হবেই।

একে অপরে স’স্পর্ক ন’ষ্ট হওয়ার কারণ শুধুই কি জায়েদ, আপনাদের কোনো ভুল নেই?

এর আগে এক ইন্টারভিউতে কেন আম’রা জায়েদকে চেয়ারে বসিয়েছি সেটা বলেছি। সেটা অনেকটা শাকিব খানের ওপর অভিমান করেই। এটাই আমাদের ভুল ছিল। এই ভুলের খেসরাত যে এভাবে দিতে হবে বুঝিনি। সমিতির নেতার চেয়ারে বসে সে যে ক্রাইমগুলো করেছে তা বর্ণনাতীত। সে ক্রাইমের অনেক কিছুই আপনারা জা’নেন না।

সেগুলো বলার মতোও না। তাই বলি, আমি যদি জায়েদের বিষয়ে মুখ খুলি তাহলে সে মুখ দেখাতে পারবে না। শুধু বলবো, যার একটাও হিট ছবি নেই, অভিনেতা হিসেব দর্শকরা যাকে চিনেই না, সেই কিনা রিয়াজ, ফেরদৌস ভাইকে নিয়ে কটু কথা বলে। তাদের নিয়ে স’মালোচনা করে। ওমর সানী ভাইকে সে মা’নসিক ডাক্তার দেখাতে বলে।

এখন ভুল শোধ’রাবেন কীভাবে?

জায়েদ খানের পদত্যা’গ নিয়ে সবাই সোচ্চার হয়েছেন। ভুল শুধ’রানোর এটাই একমাত্র উপায়। চলচ্চিত্রবিষয়ক ১৯ সংগঠন একত্র হয়ে জায়েদকে বয়কট করেছে। জায়েদের পদত্যা’গটা আগে দরকার। শিল্পী সমিতির ক্ষ’মতা থেকে ওকে অপসারণ না করলে সে এমন ক’র্মকাণ্ড করেই যাবে।

এফডিসি আরও নোংরা হবে। সাধারণ মানুষের কাছে তারকারা হাসির পাত্র হবে। তাই আমাদের সবার করণীয় এখন জায়েদের আগে পদত্যা’গ করানো। এরপর একস’ঙ্গে চলচ্চিত্রের উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়া….