কিছু মানুষের মানসিক’তা এত নি’চু, আমি আগে জানতাম না: বাইকার ফারহানা

19

সবুজ রঙের পোশাক পরা এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী। সবাই নিজ নিজ মোটরসাইকেলে। তাদের মাঝখানে সোনালি রঙের পোশাক পরে এক কনে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন।

মোটরসাইকেলে করে সবাইকে নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে কনের যোগ দেওয়ার এই ছবি ও ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল। ব্য’তিক্রমী আয়োজন করা এই কনের নাম ফারহানা আফরোজ। বাড়ি যশোরে। ১৩ আগস্ট ছিল ফারহানার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার জন্য আমি কিছু করিনি।

আমি ঢাকাতে দেখেছি, অনেক বিয়েতে বর নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে ব’ন্ধুবান্ধব নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যান। আমি মোটরসাইকেল চালাতে পারি। আমা’রও ইচ্ছে হয়েছে। আমি ইচ্ছেপূরণ করেছি। ব’ন্ধু-বান্ধব নিয়ে একটু হইচই-আনন্দ করেছি।’ গায়ে হলুদের দিনের আয়োজন স’স্পর্কে ফারহানা আফরোজ বলেন, ‘যশোর শহরের ডাকঘরপাড়ার একটি বিউটি পারলার থেকে সাজসজ্জা করেছি।

সেখান থেকে ব’ন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে শহরে চক্কর দিয়েছি। পরে গায়ে হলুদের আসরে গিয়েছি।’ তাঁর বাড়ি যশোর শহরের সার্কিট হাউস এলাকায়। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত তিনি যশোরের স্কুল-কলেজে প’ড়েছেন। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পড়ছেন। তাঁর স্বামীর বাড়ি পাবনার কাশিনাথপুরে।

স্বামী পেশায় টেক্সটাইল প্রকৌশলী। ফেসবুকে কনের এমন ছবি দেখে ইতিবাচক-নেতিবাচক দুই ধ’রনের প্র’তিক্রিয়াই মানুষ দেখিয়েছেন। যারা নেতিবাচক মন্তব্য ক’রেছেন, তাদের বিষয়ে ফারহানা আফরোজ বলেন, ‘কিছু মানুষের মা’নসিকতা এত নিচু, আমি আগে জানতাম না। আমা’র এই আনন্দ-উচ্ছ্বাস নিয়ে আমা’র পরিবারের সদস্যদের কোনো স’মস্যা নেই। অন্যদের স’মস্যা কী, বুঝতে পারছি না।’