প’ল্টি নিলেন নানাকে বিয়ে করা সেই মরিয়ম!

109

৬৫ বছরের বৃ’দ্ধকে বিয়ে করা প্রস’ঙ্গে এক সময় ১৩ বছর বয়সী স্কুলছাত্রী মরিয়ম আক্তার জা’নিয়েছিল, আমি মরণ পর্যন্ত শামুর স’ঙ্গে থাকতে চাই। তার এ কথা সে সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনা স’মালোচনার জ’ন্ম দিয়েছিল।

আর এখন মেয়েটি স’ম্পূর্ণ উল্টো কথা বলছে, সে বলছে, ৬৫ বছর বয়সী রিকশাচালক শামসুল হক শামু তার জীবনটা শে’ষ করে দিয়েছে এবং তাকে মে’রে ফেলার হু’মকি ও ভ’য় দেখিয়ে বিয়ে করে ছিল নানার বয়সি রিকশাচালক শামসুল হক। বিখ্যাত ব্লগার জাহাজী পোলা ওরফে হাসান রিয়াজ ভিডিওসহ এক পোস্টে বলেন,

১৩ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীর বয়স ১৮ দেখিয়ে তাকে বিয়ে ক’রেছেন ৬৫ বছর বয়সী রিকশাচালক শামসুল হক। ঘ’টনাটি ঘ’টেছে কুমিল্লার লালমাই উপজে’লার পেরুলে। শুরুতে মেয়েটি অনেক প্রেম প্রেম কথা বললেও এখন খেয়েছে ১৮০ ডিগ্রী পল্টি! শুনেন কিভাবে পল্টি খেয়েছে মেয়েটা এবং তার প্র’তিক্রিয়ায় শামসু দাদু জে’ল খানা থেকে কি জা’নালো তাও শুনুন ভিডিওর শেষে!

মনির খান তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেন, কুমিল্লা-লাকসামের নানার বয়সী বৃ’দ্ধ সামছুল (সামু) কে বিয়ে করে হৈচৈ ফে’লে দেয়া কিশোরী মরিয়মের তখনকার ভিডিও আর আজকের ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে, ইহাকেই প্রকৃত ১৬০ ডিগ্রি ইউটার্ন বলে। জা’নাগেছে, কুমিল্লায় ৬৫ বছর বয়সী নানার সাথে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া নাতনীর বিয়ের খবরে একসময় পুরো সোশ্যাল মিডিয়াতে চাঞ্চল্যকর অ’বস্থা বিরাজ করে।

অনেকে তাদেরকে বাবা-মেয়ে বলেও গু’জব ছ’ড়য়। এসব ঘ’টনায় বি’ব্রত অব’স্থায় প’ড়েন মো’সাম্মৎ মরিয়ম আক্তার। ৬৫ বছর বয়সী নানার সাথে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া মরিয়ম প্রেম করে গো’পনে বিয়ে করে। তার নানা সামছল হকের ছোট মেয়ে এবং মরিয়ম আক্তার একই ক্লাসের ছাত্রী। মেয়ের বয়সী মরিয়মকে বিয়ে করে আলোচনা স’মালোচনার মুখে পরেন সামছল হক।

এ ঘ’টনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় গু’জব ছ’ড়িয়ে প’ড়ে। সেসময় মরিয়ম আক্তার ও সাংবাদিকদের কথোপকথনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানেও মরিয়ম নিজে’র পচন্দে বিয়ে ক’রেছেন বলে স্বী’কার করেন। খোঁ’জ নিয়ে জা’না গেছে, কুমিল্লার লালমাই উপজে’লার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের পশ্চিম পেরুল গ্রামের ইমান হোসেন ঢাকায় চাকরি করায় গ্রামে বসবাস করা তার পরিবারের দেখাশুনা ক’রতেন পেরুল দীঘিরপাড়ার রিক্সা চালক সামছল হক।

ইমান আলীর ২য় কন্যা মরিয়ম আক্তার (১৩) স্থা’নীয় পেরুল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সামছল হক নিজে’র রিক্সায় তাকে নিয়মিত স্কুলে আনা নেওয়া ক’রতেন। ক্লাস ফাইভ থেকে মেয়েটির সাথে বৃ’দ্ধের প্রেম ছিলো বলে জা’না যায়। তার রিকশায় স্কুলে আসতে যেতে প্রেম জমে উঠে। যা সিনেমা’র কাহিনিকেও হার মানায়।

বর সামছল হক বিয়ের ঘ’টনা স’ত্যতা নি’শ্চিত করে বলেন। মরিয়ম আক্তার স’স্পর্কে আমা’র নাতনী। দীর্ঘ দিন ধ’রে তাদের সাথে আমা’র পারিবারিক স’স্পর্ক। তাদের বি’পদে আপদে আমি সবসময় ছিলাম। আসা যাওয়ার মাধ্যমে আম’রা একে অপরকে ভালোবাসি। মরিয়ম আমা’র রিক্সা করে স্কুলে আসা যাওয়া করত। এই বুড়ো বয়সে আপনি কেন বিয়ে করছেন বলে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমা’র বউ অ’পারেশনের রো’গী সংসারে কাজ ক’রতে পারেনা তাই করেছি।

তাছাড়া আম’রা দুজনের সম্মতিতেই বিয়ে হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ৫ লক্ষ টাকা দেনমোহর ও ১ লক্ষ টাকা উসুলে তাকে আমি বিয়ে করি। জা’না গেছে, কাজে’র কারনে মাঝে মধ্যে তিনি মরিয়মদের বাড়ীতে রাত্রীযাপনও ক’রতেন। এনিয়ে স্থা’নীয়রা আ’পত্তি করলে তিনি প্রাপ্ত বয়স হলে মরিয়মের সাথে নিজে’র ছেলে মনিরের বিয়ে হওয়ার কথা এলাকায় প্র’চার করেন।

কিন্তু গত ১০ মে রবিবার সামছল হক সবাইকে হ’তবাক করে ৫২ বছরের ছোট মরিয়মকে নিয়ে উ’ধাও হয়ে যান। এনিয়ে স্থা’নীয়দের প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে ১১ মে সোমবার পেরুল দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান লোকমা’রফত সামছল হক ও মরিয়মকে ইউপি কার্যালয়ে হাজির করে বি’স্তারিত জানতে চান। ওই সময় সামছল হক মরিয়মের প্রাথমিক শিক্ষা সনদ, জ’ন্মনিব’ন্ধন সনদ ও বিয়ের কাবিননামা উপস্থাপন করেন।

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সনদ ও জ’ন্মনিব’ন্ধনে মরিয়মের জ’ন্মতারিখ উল্লেখ রয়েছে ০২/০২/২০০২ইং। ২০০৮ সালে জ’ন্মনিব’ন্ধনের সময় পরিবারের পক্ষে মরিয়মের বয়স বাড়িয়ে নেওয়ার অ’ভিযোগ রয়েছে সামছল হকের বি’রুদ্ধে। যা আরো চাঞ্চল্যের সৃ’ষ্টি করেছে। মরিয়ম তো আপনার মেয়ের বয়সী অষ্টম শ্রেণীতে প’ড়ে তার বয়স ১৪ বছর আপনি কিভাবে বিয়ে করলেন এমন প্রশ্ন করলে সামছল হক বলেন, মরিয়মের বয়স ২০ বছর তিন মাস।

আপনি চেয়ারম্যান অফিসে যান কম্পিউটারে গিয়ে দেখেন। আপনি কোথায় কোন কাজী অফিসে বিয়ে ক’রেছেন বলে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, কোটে বিয়ে করেছি। কোন কোটে বিয়ে ক’রেছেন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন আর কিছু বলতে পারব না। আমি মূর্খ মানুষ আপনি চেয়ারম্যানের কাছে যান উনি সব বি’চার করেছে উনি সব জানে এই কথা বলে তিনি ফোন কে’টে দেন।

এবিষয়ে মরিয়মের বাবা ইমাম হোসেন জা’নান, শামসু আমা’র বাড়ির কাজ করত। আমি ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। আমা’র পরিবারে বিভিন্ন কাজ সে করে দিত। তাকে আমি খুব বি’শ্বা’স করতাম।সে আমা’র মেয়েকে প্ররো’চনা দিয়ে বিয়ে করে। সে একজন রিকশাচালক। তার ঘরে স্ত্রী সন্তান রয়েছে। এই বয়স্ক একটা লোকের সাথে আমা’র মেয়ে কিভাবে সংসার করবে। আমি গরিব বলে কারো কাছে বি’চার পাচ্ছি না।