ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রীকে নিয়ে পাওয়া গেল আরও এক অভিযোগ, মামলা করল দুদক

7

কক্সবাজারের টেকনাফ থা’নার ব’রখাস্ত হওয়া সাবেক ভারপ্রাপ্ত ক’র্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমা’র দাশ ও তাঁর স্ত্রী চুমকীর বি’রু’দ্ধে অ’বৈ’ধ সম্পদ অর্জ’নের মা’মলা করেছে দুর্নী’তি দ’মন কমি’শন (দুদক)। আজ রোববার দুদকের চট্টগ্রামের সমন্বিত জে’লা কার্যালয়ে মাম’লাটি দা’য়ের করা হয়।

এ বিষয়ে দুদকের জনসংযোগ (পরিচালক) ক’র্মকর্তা প্রণব কুমা’র ভট্টাচার্য্য এনটিভি অনলাইনকে নি’শ্চিত ক’রেছেন। তিনি বলেন, ‘দুদকের সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দীন বাদী হয়ে মাম’লাটি দা’য়ের করেন। মাম’লার এজাহারে ঘু’ষ ও দু’র্নী’তির মাধ্যমে অর্জিত তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার অ’বৈ’ধ সম্পদের অ’ভি’যোগ আনা হয়েছে।’

প্রণব বলেন, ‘ওসি প্রদীপ কুমা’র দাশ ঘু’ষ ও দু’র্নী’তির মাধ্যমে অ’র্জিত অর্থ দিয়ে স’ম্পদ ক্র’য় করে স্ত্রী'র নামে রেখেছেন বলে অ’নুস’ন্ধানে তথ্য পেয়েছে দুদক।’ এদিকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খাঁন হ’ত্যা মা’মলার ২ নম্বর আসা’মি ওসি প্রদীপ কুমা’র দাশ, ১ নম্বর আসা’মি কক্সবাজারের টেকনাফের বাহা’ড়ছড়া পু’লিশ তদ’ন্ত কে’ন্দ্রের দায়িত্বরত পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল র’ক্ষিত বর্তমানে র‍্যা’বের রিমা’ন্ডে রয়েছেন।

গত ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পু’লিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গু’লিতে নি’হত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘ’টনার পর পু’লিশ বা’দী হয়ে টেকনাফ থা’নায় দুটি ও রামু থা’নায় একটি মাম’লা করে।

এ ঘ’টনায় এ পর্যন্ত সাত পু’লিশ সদস্য, আ’র্মড পু’লিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য ও টেকনাফ থা’না পু’লিশের করা মাম’লার তিন সাক্ষীসহ ১৩ জনকে গ্রে’প্তার করেছে র‍্যাব। বিভিন্ন সময় প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমা’ন্ড মঞ্জুর করেন কক্সবাজারের আদালত।

গতকাল সাত আসা’মির রিমা’ন্ড শেষ হয়। বাকি ছয় আসা’মি বর্তমানে র‍্যাবের রিমা’ন্ডে রয়েছেন। এঁরা হলেন ওসি প্রদীপ কুমা’র দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত এবং কক্সবাজারে ক’র্মরত এপিবিএন-১৪-এর সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহজাহান, কনস্টেবল রাজীব ও আবদুল্লাহ।