শরীর ম্যাসেজ করানোর পর ছা’ত্রীকে ধ’র্ষ’ণ ক’রলেন মাদ্রাসা অধ্যক্ষ

22

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বি’রুদ্ধে ছা’ত্রীকে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে আ’দালতে মা’মলা হয়েছে। সোমবার (১৮ আগস্ট) জে’লার নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ ওই ছা’ত্রীর মা বাদি হয়ে এই মা’মলা’টি দা’য়ের করেন।

আ’দালত মা’মলা ত’দন্তে পু’লিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দায়িত্ব দিয়েছে। অ’ভিযু’ক্ত এর আগে বলাৎকারের ঘ’টনায় জ’রিমানাও গুনছেন। অ’ভিযু’ক্ত ব্য’ক্তির নাম মো. অলিউল্লাহ ছোবহানী (৩৫)। তিনি আশুগঞ্জে’র তারুয়া জামিয়া ছোবহানীয়া মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। মা’মলার এজাহারে বলা হয়, মো. অলিউল্লা ছোবহানী দুই মাস পূর্বে তারুয়া গ্রামে,

জামিয়া ছোবহানীয়া মহিলা মাদ্রাসাটি চালু করেন। মহিলা মাদ্রাসা হওয়া সত্বেও তিনি এর স’ঙ্গে নিজে থাকার জন্যে একটি ঘর নির্মান করেন। ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীকে (১৬) তার মাদ্রাসায় ভর্তি কিছুদিন পরই তিনি হে’নস্তা শুরু করেন। এক পর্যায়ে ওই ছা’ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে মাদ্রাসা লাগোয়া থাকার ঘরে ডেকে নিয়ে হাত-পা টিপানো এবং শ’রীর ম্যাসেজ ক’রতে বাধ্য করেন।

পরে তাকে এব্যাপারে মুখ ব’ন্ধ রাখতে ভ’য়ভীতি দেখান। গত ৯ আগস্ট অধ্যক্ষ মাদ্রাসা লাগোয়া থাকার ঘরে ডেকে নিয়ে ওই ছা’ত্রীকে ধ’র্ষণ করেন। এ ঘ’টনার পর ওই ছা’ত্রী আত্মহ’ত্যার হু’মকি দিলে তিনি বিয়ের আশ্বা’স দেন। কয়েকটি ডায়েরির পাতায় বিয়ের কথা’বা র্তা লিখে তাতে ছা’ত্রীর স্বাক্ষর নেয়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ার মো. আশরাফুর রহমান,

সদর উপজে’লার হাবলাউচ্চ গ্রামের মো. কেফায়েত উল্লাহ ও আশুগঞ্জ যাত্রাপুর গ্রামের মো. আবুল বাশার আইয়ুবীকে ওই বিয়ের উকিল ও সাক্ষী বানিয়ে ডায়েরির পাতায় তাদের স্বাক্ষর নিয়ে ছা’ত্রীকে বিয়ে করা হয়েছে বলে আশ্বস্ত করা হয়। মা’মলায় এই তিনজন উকিল-সাক্ষী এবং ঘ’টনা ধামাচা’পা দিতে,

তৎপর অলিউল্লা ছোবহানীর পিতা আব্দুল ছোবহানকে আ’সামি করা হয়। উল্লেখ্য, অলিউল্লা ছোবহানীর বি’রুদ্ধে বলাৎকারেরও অ’ভিযোগ রয়েছে। এসব ঘ’টনায় তার কাছ থেকে সালিশ করে জ’রিমানাও আদায় করা হয়।

মাদ্রাসার নামে টাকা উত্তোলন করে নিজে’র সহায়-সম্পদ গড়ার কাজে ব্যবহার করা ছাড়াও নানা অ’পক’র্ম করে বেড়ানোর অ’ভিযোগ করেন এলাকার মানুষ তার বি’রুদ্ধে।