এবার নুসরাতের ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরাল

14

বাংলা চলচ্চিত্রের বর্তমান সময়ের চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় একটি ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও শেয়ার ক’রেছেন। ভিডিও শেয়ার করার সাথে সাথে হুমড়ি খেয়ে প’ড়েন তার ভক্তরা।

রীতিমতো লাইক, কমেন্ট শেয়ার পড়ছে ভিডিওটির কমেন্ট বক্সে। আর ভিউয়ের সংখ্যা ঝ’ড়ের গতিতে বাড়ছে। নুসরাত ফারিয়া ক্যারিয়ার শুরু করেন রেডিও আরজে হিসেবে। পরে বাংলাদেশের বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল আরটিভির ‘ঠিক বলছেন তো’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার মাধ্যমে ছোট পর্দায় যাত্রা হয়।

নুসরাত ‘ডোর’ নামে ফ্যাশন হাউসের ব্র্যান্ড মডেল এবং ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি, সিম্ফনি, সিটিসেল রিচার্জে’র বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হয়ে পারফর্ম ক’রেছেন। পরবর্তীতে জাজ মাল্টিমিডিয়ার হাত ধ’রে বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন ফরিয়া। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লি’ক করু’ন

আরোও পড়ূনঃ লবঙ্গ খেলেই যে ৮টি রোগের খেল খত’ম হবে নিমিশেই!–-১৪ শতকের মাঝামাঝি সময়। তুমুল লড়াই চলছে দেশে দেশে। যু’দ্ধের কারণটা যদিও বড়ই আজব! লবঙ্গের চাষ ইন্দোনেশিয়ার যে দ্বীপে হয়, সেখানকার অধিকার কোন দেশের হাতে থাকবে, সেই নিয়েই বেঁধেছে তুমুল লড়াই।

কয়েক বছর র’ক্ত ঝরার পর অবশেষে বিজয় পাতকা হাতে সেই দ্বীপে পৌঁছালেন ডাচরা (নেদারল্যান্ড)। আর সেই থেকে লবঙ্গের উপর অধিকার স্থাপিত হল ইউরোপের এই দেশটির। পরবর্তি সময়ে প’রিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু আজও লবঙ্গের গু’রুত্ব কমেনি একটুও। আর কেন কমবেই বা বলুন! একটা লবঙ্গ মুখে পরতেই যে বেশ কয়েকটি রোগের নিকেশ ঘ’টে যায়।

এমন মহৌষধিকে কাছে রাখতে চাইবে না, এমন মুর্খ কেউ আছে নাকি! ১০০ গ্রাম লবঙ্গে প্রায় ৬৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৬ গ্রাম প্রোটিন, ১৩ গ্রাম লিপিড এবং ২ গ্রাম চিনি রয়েছে। সেই স’ঙ্গে রয়েছে ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন সি, থিয়েমিন, ভিটামিন বি৬,বি১২,এ,ই,ডি এবং কে।

এই সবকটি উপাদানই নানাভাবে শ’রীরের গঠনে কাজে লে’গে থাকে। যেমন… ১. ডায়াবেটিস রোগকে নি’য়ন্ত্রণে রাখে – বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে লবঙ্গের অন্দরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান শ’রীরের অন্দরে প্রবেশ করার পর ইনসুলিনের ক’র্মক্ষ’মতা বাড়াতে শুরু করে। ফলে স্বা’ভাবিকভাবেই র’ক্তে শর্করার মাত্রা বৃ’দ্ধি পাওয়ার আশ’ঙ্কা একেবারে কমে যায়।

২. আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা কমায়– লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এই ধ’রনের হাড়ের রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে। এক্ষেত্রে এক কাপ লবঙ্গ চা বানিয়ে কয়েক ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর সেই ঠাণ্ডা চা ব্য’থা জায়গায় কম করে ২০ মিনিট লা’গালে দেখবেন যন্ত্রণা একেবারে কমে গেছে।

প্রসঙ্গত, জয়েন্ট পেইন কমানোর পাশাপাশি পেশির ব্য’থা এবং ফোলা ভাব কমাতেও এই ঘরোয়া ঔষধিটি বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে। ৩. জ্বরের চিকিৎ’সায় কাজে লাগে– লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যব’স্থাকে এতটাই শ’ক্তিশালী করে দেয় যে শ’রীরে উপস্থিত ভা’ইরাসেরা সব মা’রা প’ড়ে। ফলে ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

প্রসঙ্গত, রোগ প্রতিরোধ ব্যব’স্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্র’মণ ে আক্রা’ন্ত হওয়ার আশ’ঙ্কাও কমে যায়। ৪. দাঁতের ব্যাথা কমায় – লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শ’রীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘ’টনা ঘটলে একটা লবঙ্গ মুখে ফে’লে দেবেন। দেখবেন স’ঙ্গে স’ঙ্গে উপকার পাবেন।

৫. হজ’ম ক্ষ’মতার উন্নতি ঘ’টে– লাঞ্চ বা ডিনারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজ’মে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই স’ঙ্গে পে’টের দিকে র’ক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘ’টে। ফলে খাবার হজ’ম হতে সময় লাগে না। তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেও বদ-হজ’ম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দে’খতে পারেন। এমনটা করলে উপকার যে মিলবে, তা হলফ করে বলতে পারি।

৬. সাইনাস ইনফেকশনের প্রকোপ কমায়– মাঝে মধ্যেই কি সাইনাসের আ’ক্রমণ সহ্য ক’রতে হয়? তাহলে তো বলতে হয় এই লেখাটি আপনার জন্যই লেখা। কারণ লবঙ্গ যে এই ধ’রনের স’মস্যা দূ’র ক’রতে কাজে আসতে পারে, সে বিষয়ে কি জা’না ছিল? আ’সলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির শ’রীরে উপস্থিত ইগুয়েনাল নামে একটি উপাদান সাইনাসের কষ্ট কমাতে বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে। সেই কারণেই তো আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা আজও এই ধ’রনের অসুখের চিকিৎ’সায় লবঙ্গের উপরই ভরসা করে থাকেন।

৭. ত্বকের সংক্র’মণ সারায়– এবার থেকে কোনও ধ’রনের ত্বকের সংক্র’মণ হলেই চোখ বুজে ক্ষ’তস্থানে লবঙ্গ চা লা’গাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না। আ’সলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শ’রীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই স’ঙ্গে জী’বাণুদেরও মেরে ফে’লে । ফলে সংক্র’মণ জনিত কষ্ট কমতে সময় লাগে না।

৮. লিভারের ক’র্মক্ষ’মতা বাড়ায়– লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারের অন্দরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বা’ভাবিকভাবেই লিভারের ক’র্মক্ষ’মতা বাড়তে শুরু করে। প্রসঙ্গত, এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে একাধিক হেপাটোপ্রটেকটিভ প্রপার্টিজও রয়েছে, যা এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পা’লন করে থাকে।১৪ শতকের মাঝামাঝি সময়। তুমুল লড়াই চলছে দেশে দেশে। যু’দ্ধের কারণটা যদিও বড়ই আজব! লবঙ্গের চাষ ইন্দোনেশিয়ার যে দ্বীপে হয়, সেখানকার অধিকার কোন দেশের হাতে থাকবে, সেই নিয়েই বেঁধেছে তুমুল লড়াই।

কয়েক বছর র’ক্ত ঝরার পর অবশেষে বিজয় পাতকা হাতে সেই দ্বীপে পৌঁছালেন ডাচরা (নেদারল্যান্ড)। আর সেই থেকে লবঙ্গের উপর অধিকার স্থাপিত হল ইউরোপের এই দেশটির। পরবর্তি সময়ে প’রিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু আজও লবঙ্গের গু’রুত্ব কমেনি একটুও। আর কেন কমবেই বা বলুন! একটা লবঙ্গ মুখে পরতেই যে বেশ কয়েকটি রোগের নিকেশ ঘ’টে যায়। এমন মহৌষধিকে কাছে রাখতে চাইবে না, এমন মুর্খ কেউ আছে নাকি!