ক’রোনার মধ্যেই শাশুড়িকে নিয়ে জামাই উধাও!

24

বছর দেড়েক আগে জামাই-শাশুড়ী স’স্পর্ক গড়ে ওঠে। সাবালক সন্তানও রয়েছে তাদের। কিন্তু স্ত্রীকে ছে’ড়ে যে বিধবা শাশুড়ির প্রতি আ’সক্ত হয়ে প’ড়েছেন জামাই আ’কারুল হোসেন তা কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি।

শেষে সুযোগ বুঝে স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে বিধবা শাশুড়িকে নিয়ে পা’লিয়ে গে’লেন আ’কারুল হোসেন নামের ওই জামাই। তারপর থেকে ৩ সন্তানকে নিয়ে অস’হায় অবস্থা স্ত্রী'র। ক’রোনাভা’ইরাস আ’তঙ্কের মধ্যেই গেল বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এমনই ঘ’টনা ঘ’টেছে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজে’লার গোপালপুর গ্রামে।

জামাই আ’কারুল হোসেন (৪০) ওই গ্রামের মৃ’ত মজিবর শেখের ছেলে ও শাশুড়ি আসমা খাতুন (৩৫) একই গ্রামের মৃ’ত ফারুক হোসেনের স্ত্রী। জামাই আ’কারুল পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে রেখে বিধবা শাশুড়িকে নিয়ে পা’লানোর ঘ’টনায় ওই গ্রাম ও আশেপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে স’মালোচনা ও মুখরোচক গল্প হয়ে উঠেছে।

গ্রামবাসী জা’নায়, এক বছর আগে আ’কারুলের সাথে স’স্পর্ক গড়ে বিধবা আসমা’র। আসমা’র স্বা’মী না থাকার সুবাদে তাদের মধ্যে স’স্পর্ক গ’ভীর হতে থাকে। শাশুড়ি আসমা’র পরিবারে ক’র্মক্ষম ব্য’ক্তি না থাকায় সংসারের সব কাজ আ’কারুলই করতো। ফলে তার বাড়িতে রাতে দিনে যাতায়াত ছিল অবা’ধ।

বিধবা আসমা’র দেবর মি’লন হোসেন জা’নান, তার ভাই দেড় বছর আগে মালয়েশিয়ায় ক’র্মরত অব’স্থায় মৃ’ত্যুবরণ ক’রেন। সেই থেকে ভাবি দুই মেয়েকে নিয়ে নিজে’র সংসার নিজেই দেখভাল ক’রতে থাকেন। মি’লনের ভাষ্যমতে, সাংসারিক বিষয় নিয়ে কোন আলাপ আলোচনা তার ভাবি ক’রে না বরং জামাইকে নিয়ে তার ওঠাবসা।

ভাবি শা’রীরিক অ’সু’স্থতার কথা বলে মায়ের বাড়িতে যায়। সেখান থেকেই ল’ম্প’ট আ’কারুলের সাথে পা’লি’য়েছে। রাজমিস্ত্রী আ’কারুলের স্ত্রী ববিতা খাতুন জা’নান, আমা’র স্বা’মী বাইরে কাজ ক’রার কথা বলে নিরুদ্দেশ হয়েছে। যাওয়ার সময় নগদ টাকা নিয়ে গেছে। এখন আমি সন্তানদের নিয়ে পানিতে প’ড়েছি।

স্থা’নীয় ইউপি সদস্য রাশিদুল ইসলাম জা’নান, এ ঘ’টনায় আম’রা গ্রামের মানুষ বি’ব্রত। লোকমুখে শুনেছি রাজমিস্ত্রী আ’কারুল বিধবা শাশুড়ি পাতিয়ে আসমাকে নিয়ে পা’লি’য়ে গেছে। নিত্যানন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জা’নান, গত ৩মাস আগে তাদের বিষয় নিয়ে পরিষদে সালিশ বৈঠক হয়।

সেখানে তাদের স’স্পর্ক নিয়ে কথা উঠে। তারা সমাজে সুন্দরভাবে বসবাস করবে এমন মুচলেকায় সালিম বৈঠক মিমাংশা হয়। তবে হুট ক’রে এমন ন্যা’ক্কারজনক কাজ করবে কেউ ভাবতে পারেনি।

ওদের সুষ্ঠু বি’চার হওয়া দরকার বলে মন্তব্য ক’রেন। শৈলকুপা থা’নার অফিসার ইনচার্জ (ও’সি) বজলুর রহমান জা’নান, জামাই শাশুড়ি পা’লি’য়ে যাওয়ার ঘ’টনায় কেউ থা’নায় কেউ অ’ভিযোগ দা’য়ের ক’রেনি। অ’ভিযোগ পেলে আ’ইনানুগ ব্যব’স্থা গ্রহণ ক’রা হবে।