রাজধনীতে চলছে ৫থেকে ৭ হাজার টাকায় ঝম’ঝমাট স্বামী বাণি’জ্য

22

শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পু’রুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে।সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসকর্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যা’বসায় মেয়েরা আগে পে’টের দায়ে আ’সলেও, এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য।

ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানে “স্বামী স্ত্রী” উভ’য়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত।

বিক্রি হচ্ছে পু’রুষত্ব- কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এসকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রীদের কাছে।

কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত।ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা।

স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রী'র ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নি’রাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল।

যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল।লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে, ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগু’লোকে কখনোই আপনি ধ’রা পড়তে দেখবেন না।

ধ’রা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা, কিংবা কোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে। অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের কলগার্লের নামের তালিকা ঘাটলে অনেক মডেলকেও পাওয়া যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা, তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভ’য়েই)।

এসকর্ট বিজনেসের স’ঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জা’নায়, একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পু’রুষের সাথে বি’ছানা শেয়ার ক’রতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে শ’রীর বিক্রি করে স্মা’র্ট ফোন, ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে।যে লক্ষণগু’লো স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী অনেকগু’লো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা।

আজ আম’রা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই।প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা।উইমেনস হেলথ এক’রোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে, সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গ’ভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন।

বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধ’রে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই। আ’সলে একটা সময়ে গিয়ে আম’রা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আম’রা কি আ’সলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা।

‘হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসু’স্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মু’হূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়।একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালেফোর্নিয়ার একটি গবেষণায় এ কথা বলা হয় একজন সুখী বিবাহিত নারী সংসারের যে কোন ঝামেলা সামলে উঠেও ক্লান্ত হন না, বরং বেশ ভালোবেসেই কাজগু’লো করেন।

যেখানে একজন অসুখী নারী সাংসারিক জীবন নিয়ে যথেষ্ট ক্লান্তিভাব পোষণ করেন এবং নিজেকে পরিবর্তনও ক’রতে নারাজ থাকেন।একজন বিবাহিত নারীর আবেগ, চাওয়া পাওয়া থাকে তার স্বামীকে ঘিরে। সেই স্বামী যখন অবহেলা করেন কিংবা স্ত্রীকে বুঝতে চেষ্টা করেন না তখন সে নারী হয়ে উঠেন একজন অসুখী নারী।

নিশ্চয়ই এটি একজন অসুখী বিবাহিত নারীর খুব বড় একটি লক্ষণ। দূ’রত্বের কারন স্বামী ‘হতে পারে আবার স্ত্রীও ‘হতে পারে। হয়ত স্বামী তার স্ত্রী'র প্রতি সম্মান হারিয়ে ফে’লে কিংবা স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি বিশ্বা’স হারিয়ে ফে’লে ।বিয়ে একটি বড় ধ’রণের সামাজিক স’ম্পর্ক। আর বিয়ে পরবর্তী সময়ে সুখী থাকতে চাওয়াটা যে কোন নারীরই কাম্য। তাই, উপরের লক্ষণ গু’লোর একটিও যদি আপনার মনের জা’নালায় উঁকি দেয় আজই আপনার স্বামীর সাথে খোলাখুলি আলোচনা করে সব ঠিক করে নিন আর সুখী বিবাহিত জীবনযাপন করুন।

বর্তমান সমাজে দেখা যায় ঠিক এ কারনেই অনেক নারী বিবাহ বহির্ভূত স’ম্পর্কে জড়িয়ে প’ড়েন এবং নিজে’র ইচ্ছে বা চাহি’দা পূরণের চেষ্টা করে থাকেন। যেকোন স’ম্পর্কেই দূ’রত্ব জিনিসটা ক্ষ’তির কারন হয়ে দাঁড়ায়। না, এই দূ’রত্ব কোন বাহ্যিক দূ’রত্ব নয়। মনের দূ’রত্বের কথা বলছিলাম। অনেক বিবাহিত দম্পতির ক্ষেত্রেই দেখা যায় চার দেয়ালের মাঝে দিনের পর দিন থাকার পরও তারা একে অপরের চেয়ে বেশ দূ’রে।