দেশজুড়ে

নে’ত্রকোনায় সি’জারের স’ময় মূ’ত্রথলি-জ’রায়ু কে’টে ফে’লেন চি’কিৎসক, মা’রা গে’লেন প্র’সূতি

নেত্রকোনা শহরের ছোট বাজারের সুনেত্র হা’সপাতা’ল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভু’ল চিকিৎ’সায় আইরিন পারভীন ঝর্ণা (৩৬) নামে এক প্রসূ’তির মৃ’ত্যু হয়েছে। ঝর্ণার স্বজনরা জা’নান,

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে সুনেত্র হা’সপাতা’লে চিকি’ৎসক জীবন কৃষ্ণ রা’য় ঝর্ণার সিজা’রিয়ান অপারেশন ক’রেন। দুই কন্যাস’ন্তানের জননী ঝর্ণা সদর উপজে’লার লক্ষ্মীগঞ্জ ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রামের নূরে আলম খোকনের স্ত্রী। ঝর্ণার দেবর মো. আল মাসুদ ও ভ’গ্নিপ’তি আব্দুল মান্নান জা’নান,

চিকি’ৎসক জীবন কৃষ্ণ রা’য় সিজা’রিয়ান অপারেশনের সময় ভু’লবশত ঝর্ণার মূ’ত্রথ’লি কে’টে ফে’লেন। পরে তার র’ক্তক্ষ’রণ শুরু হয়। এরপর আবার তাকে অপা’রে’শ’ন থিয়েটারে নেন চিকি’ৎসক। এ সময় কে’টে ফে’লেন ঝর্ণার জ’রা’য় ু। এভাবে জ’টিলতা বাড়তে থাকে তার। সেই স’ঙ্গে র’ক্তক্ষ’রণ হচ্ছিল।

পরে তৃতীয়বারের মতো তাকে অ’পারে’শন থিয়েটারে নেন চিকি’ৎসক। এতে তার শা’রীরিক অবস্থার আরও অব’নতি হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে সোমবার রাতে ঝর্ণাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হা’সপাতা’লে নিতে বলেন চিকি’ৎসক। পরে ঝর্ণাকে সেখানে নেয়া হয়। নেত্রকোনা থেকে ময়মনসিংহ নেয়ার পথে ঝর্ণার শ’রীরে ১০ ব্যাগ র’ক্ত দেয়া হয়।

ময়মনসিংহ হা’সপাতা’লে যাওয়ার পর সুনেত্র হা’সপাতা’ল ক’র্তৃপক্ষের পা’ঠানো লোক রো’গীর স’ঙ্গে থাকা চিকিৎ’সার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সটকে প’ড়েন। এতে রো’গীর চিকিৎ’সা নিতে বেগ পেতে হয়। এ বি’ষয়ে সুনেত্র হা’সপাতা’লের পরিচালক আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, কাগজগুলো রো’গীর প্রয়োজন নেই।

এগুলো হা’সপাতা’লে রাখতে হয়। সেজন্য নিয়ে আসা হয়েছে।এ ব্যাপারে অ’ভিযু’ক্ত চিকি’ৎসকের স’ঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ক’রেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। একাধিকবার তার মোবাইল নম্বরে কল দিলেও রিসিভ ক’রেননি। খোঁ’জ নিয়ে জা’না যায়, সুনেত্র হা’সপাতা’ল থেকে ঝর্ণাকে রাতে ময়মনসিংহ হা’সপাতা’লে পাঠিয়ে দ্রু’ত অপর হা’সপাতা’লে চলে যান চিকি’ৎসক।

এ সময় ওই হা’সপাতা’লে গিয়েও তার স’ঙ্গে কথা বলাও সম্ভব হয়নি। এদিকে, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ হা’সপাতা’লে চিকি’ৎসাধীন অব’স্থায় মা’রা যান ঝর্ণা। বিকেল ৩টা পর্যন্ত অ’ভিযু’ক্ত চিকি’ৎসক জীবন কৃষ্ণের স’ঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এমন ঘ’টনায় নেত্রকোনার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ক্ষো’ভ প্রকাশ ক’রেন।

অ’ভিযু’ক্ত চিকি’ৎসকের শা’স্তি চেয়েছেন অনেকেই। লক্ষ্মীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল কাদের সুজা বলেন, একজন প্রসূতি মায়ের প্র’সবকালীন এক ঘণ্টার মধ্যে তিনবার ওটিতে নিয়ে অপারেশন ক’রে মূ’ত্রথ’লি, জ’রা’য় ু কে’টে রো’গীকে মৃ”ত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া অ’ন্যা’য়। বি’ষয়টি তদ’ন্ত ক’রে ব্যব’স্থা নেয়া উচিত।

নয়তো এ ধ’রনের ঘ’টনা আরও ঘটবে। নেত্রকোনার অতিরি’ক্ত পু’লিশ সুপার (সদর-সার্কেল) মুর্শেদা খাতুন বলেন, এ বি’ষয়ে খোঁ’জখবর নিয়েছি। মৃ’ত ঝর্ণার পরিবারের লোকজন অ’ভিযো’গ দিলে আ’ইনগত ব্যব’স্থা নেয়া হবে। প্রস’ঙ্গত, চিকি’ৎসক জীবন কৃ’ষ্ণের হাতে এর আগেও একা’ধিক প্রসূতির মৃ’ত্যুর অ’ভিযো’গ রয়েছে। এসব ঘ’টনায় তার বি’রু’দ্ধে ব্যব’স্থা না নেয়ায় এমন ঘ’টনা ঘ’টেই চলছে।

Related Articles

Back to top button